পোস্টগুলি

Name of Allah in nature

ছবি
জ্ঞানবান ব্যক্তিদের জন্য প্রকৃতিতে রয়েছে  সমস্ত সৃষ্টি জগতের পালনকর্তার বহু নিদর্শন। তেমনি একটি নিদর্শন  নিচের ছবিতে আছে।  মাংসে মহান সৃষ্টি কর্তা আল্লাহর নাম..

ইসলাম কেন বহু বিবাহের অনুমতি দেয়।

পার্থঃ দোস্ত ইসলাম কেন বহু বিবাহের অনুমতি দেয়। জাকিরঃ দোস্ত হিন্দুদের বিষ্ণু পুরানা আধ্যায় ২৪ আনুছেদ ১ বলছে একজন ব্রাম্মনের চারজন বউ থাকতে পারে।তুই বাইবেল ইহুদিদের গ্রন্থ দেখ তারা আজস্র বিয়ে করতে পারে। দোস্ত ইসলাময় হচ্ছে একমাত্র ধর্ম আর কোরান হল একমাত্র ধর্ম গ্রন্থ যেখানে বলা হয়েছে একটা বিয়ে করতে।সুরা নিসা ৩ নং আয়াত অনুযায়ী- {{ তোমাদের পছন্দের মেয়েকে বিয়ে কর দুই,তিন বা চার কিন্তু যদি ন্যায় বিচার করতে না পার তাহলে একটা।}} এখন বিজ্ঞান আমাদের বলে পুরুষ ও নারী সমান আনুপাতে জন্মায়।কিন্তু ছেলে শিশুর চেয়ে মেয়ে শিশুর রোগ প্রতিরধ ক্ষমতা বেশি।তাই ছেলে শিশুর মৃত্যুর হার বেশি।দৈনন্দিন জীবনে বিভিন্ন দূর্ঘটনায়,যুদ্ধে,মদ্যপানে,ধূমপানে মেয়েদের চেয়ে ছেলেরা বেশি মারা যায়।বর্তমান বিশ্বের দিকে দেখ শুধু New york এ পুরুষের তুলনায় মহিলা ১০ লক্ষ জন বেশি।U.S.A তে ৭.৮ মিলিয়ন নারী বেশি,U.K তে ৪ মিলিয়ন মেয়ে বেশি,জার্মানিতে ৫ মিলিয়ন,রাশিয়াতে ৯ মিলিয়ন, ব্রিটেন এ ৪০ লক্ষ মহিলা বেশি পুরুষের চেয়ে।আর আল্লাহ তায়ালা ভাল জানেন সমগ্র বিশ্বে কত জন মহিলা বেশি পুরুষের চেয়ে। ধর আমি তোর কথা মানলাম এক পুরুষ এক মহিলা বিয়ে কর...

ইসলাম জঙ্গীবাদকে নিন্দা জানায়

বর্তমানের বস্তুবাদী এ সমাজে,ইহুদী খ্রিষ্টান সভ্যতায় ইসলামের সাথে জঙ্গিবাদকে জুরে দেয়া হয়েছে। সব ধর্মেই কিছু কুলাঙ্গার আছে। কিন্তুু তাই বলে আপনি ধর্মকে ছোট করতে পারেন না। ইসলাম ধর্মকে কোন সংগঠন বা পীর,বুযুর্গ দিয়ে বিচার করবেন না। বিচার করুন কোরআন এবং হাদিস দিয়ে। কোন পীর যদি ধর্মের নামে ব্যবসা করে,কোন সংগঠন যদি জিহাদের নামে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড চালায় তবে আপনি ইসলামকে জঙ্গিবাদের সাথে জুড়ে দিতে পারেন না। আর আমেরিকা,ইসরাইল পাশ্চাত্য শাসকেরা ইসলামি শাসন ব্যবস্থাকে ভয় পায়। তাই তারা গনতন্ত্রের নামে ধর্ম নিরপেক্ষ মতবাদ মিডিয়ার মাধ্যমে পৃথিবীময় ছড়িয়ে দিয়েছে। ইসলামি দ্বীন প্রতিষ্ঠিত হলে তাদের সকল ক্ষমতা, শাসণ,শোষণ,জুলুম,বিলাসীতার অবসান ঘটবে। তাই তারা আজ কৌশলে ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করতে তৎপর হয়ে উঠেছে। কোরআনে বলা হয়েছে যে যদি কেও অন্য মানুষকে হত্যা করে আর তা যদি হত্যাকান্ডের অপরাধ বা দূর্নীতির অপরাধ অথবা দেশে বিশৃঙ্খলা তৈরীর অপরাধ না হয় তাহলে সে যেন পুরো মানবজাতিকেই হত্যা করল। আর কেউ যদি কোন মানুষের জীবন বাচায় সে যেন পুরো মানবজাতিকেই বাচাল তাই সব শেষে বলা যায় যে "...